মাহমুদুল হাসান (শুভ) কাজিপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জে কাজিপুর সোনামুখি শত বছরের পুরনো বারুনী মেলায় প্রতিবারে নেই এবার ও হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।
বুধবার (১৭ এপ্রিল) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় দুপুর থেকে সোনামুখি হাট ছিলো মেলা আসা মানুষের পদভারে মুখরিত। ঐতিহ্যবাহী ধারাবাহিতায় চৈএের শেষ সপ্তাহ মেলা লাগানো হয়ে থাকে কিন্তুু এবার রোজার মাস থাকার কারুণে মেলা লাগানো হয় বৈশাখ মাসে প্রথম সপ্তাহে প্রচণ্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে নারী,শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষ মেলায় আসে জিনিসপাতি কিনতে আবার কেউ আসে ঘুরতে ।
কাজিপুর থানার মধ্য সোনামুখি বারুনী মেলা বিখ্যাত তারপরে কাজিপুরে সোনামুখি সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী মেলা। বর্তমান ইছামতী নদী ইতিহাস থেকে প্রায় হারিয়ে গেলেও ইতিহাসের পথ ধরে সে মেলা এখনো অনুষ্ঠিত হয়। তবে মেলা আগে মতো আর নাই বললে চলে। মেলার মান দিন দিন নষ্ট হয়ে যাইতেছে।
মেলায় ঘুরে দেখা যায়, ঘুরি, লাটিম, ও বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর জিনিসপএ সাজিয়েছেন দোকানীরা আর এই মেলায় এত লোক হয় পা রাখার জায়গায় থাকে না। ছোট ছোট বাচ্চারা ব্যস্ততা পার করছে খেলনা ও খাদ্য সামগ্রী কিনতে।
মেলা ঘুরতে আসা সুমন সরকার আমাদের বলেন,সে তার বাবার সাথে মেলায় এসেছে। ঘুরি, চমশা, টুপি ও খাবার জন্য খই, মুরকি,কিনেছে। মেলায় এসে তার হেব্বি লাগছে। প্রবীন আব্দুল জব্বার মিয়া আমাদের বলেন আগে দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসতো তারা ইছামতী নদীতে গোসল করে বাড়িতে যাওয়া সময় বাচ্চা ও পরিবারে লোকজনের জন্য বিভিন্ন ধরনের জিনিসপাতি নিয়ে বাড়িতে ফিরত কিন্তুু এখন আর দেখা যায় না।
মেলায় আসা দোকানীরা বলেন বেচাকিনা খারাপ না ভালো হচ্ছে মেলাতে । জায়গায় যদি একটু বড় হতো তা হলে একটু ভালো হতো তা ছাড়া দোকান নিয়ে বসতে রীতিমত প্রতিযোগিতায় নামতে হয়।
মেলায় যে,সকল জিনিস সব থেকে বেশি পাওয়া যায় তা হলো বিভিন্ন ধরনের মসলা,কাঁচামাল, ও বিভিন্ন ধরনের খাবার, হরেক রকমের দ্যা, বুটি,কাঁচি, চুরি,, চাকু,,কোদাল,ও শিশুদের বিভিন্ন ধরনের খেলনা সামগ্রী পাওয়া যায়,
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ ফিরোজুর রহমান মোবাইল: 01947314055