নিজস্ব প্রতিবেদক:
আমাকে জনগণ নির্বাচিত করেছিল তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা জন্য। আমি সেই লক্ষ্যেকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ের একজন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য(মেম্বার) হিসাবে সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমি কখনো অন্য কারো মতো নিজের সুযোগ-সুবিধা চিন্তা করি না। আমি আমার এলাকার গরিব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য চিন্ত করি। আমি আমার নিজ অর্থয়ানে করোনার মধ্যে দুস্থ ও অসহায় মানুষকে কিছু পরিমাণ সহযোগিতা করেছি। সেই সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার গরিব দুঃখী ও স্বল্প আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে। করোনা ভাইরাস থেকে শুরু করে যে টিসিবি পণ্য এখন পর্যন্ত দিচ্ছে। সে সিসিবি পণ্য আমি আমার এলাকার মানুষের মাঝে বিতারণ করছি। এছাড়াও তিনি বগুড়া বুলেটিন কে জানান, ২০০১ সালে নির্বাচনের জনসভা থেকে রাজনৈতিক পথ চলা শুরু করি। উপ- বিভাগীয় সম্পাদক ছিলাম জেলা ছাত্রলীগের তারপর আমি বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির নেতৃত্ব দিয়েছি। তখন আমার এলাকার অসহায় মানুষে কথা চিন্তা করে। এলাকার মানুষের অনুপ্রেরণায় আমি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) পদে নির্বাচন করি।
তার পর থেকে কিন্তু আমি আমার এলাকর জনগণের সাথে আছি ও থাকবো এই প্রত্যাশা করি।
উল্লেখযোগ্য যে তিনি, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৩নং ভাটরা ইউনিয়ন এর ২নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরো জনান, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো তার এলাকার মানুষ, তার চলা পথের শক্তি, তারা তাকে সর্বদা সমর্থন দিচ্ছে।
তিনি তার এলাকা কে এগিয়ে নিয়ে যেত নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে।
এছাড়াও বলেন, আমার তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্বে আমার এলাকা এগিয়ে গেলে, বাংলাদেশের এক অংশ এগিয়ে যাবে বলি আমি মনে করি। ফলে আমাদের জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সর্বশেষে আমি আমার এলাকার মানুষের সাহায্য কামনা করি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ ফিরোজুর রহমান মোবাইল: 01947314055