প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ৬:৫৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৮, ২০২৪, ১:৪১ পি.এম
বগুড়ায় পাখি প্রেমিক কলেজ ছাত্র বিজয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,মো: নুরআলম
ভোরের আলো ফুটতেই শত শত পাখি সাথে খুনশুটি শুরু হয় কলেজ পড়ুয়া বিজয়ের।সকালের খাবারের জন্য অপেক্ষা করে তার পালিত বিভিন্ন জাতের কবুতর ও দেশী প্রজাতির উড়ে আসা পাখিরা । আর সেই অপেক্ষারত পাখিদের জন্য প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠে তিনি গম, ধান, ভুট্টা, খেরাচি, ছিটিয়ে পরম মমতায় খাওয়ান। পাখিরাও তার হাতে ছিটানো খাবার খেয়ে বেশ আলন্দিত। সকালে খাবার খেয়ে পাখিরা ছুটে চলে দিক বি দিক। এমনই ঘটনা প্রতিনিয়ত দেখা যায় বগুড়া শেরপুর উপজেলার মহিপুর কলোনী পাড়া গায়ের বাসিন্দা মো: নজরুল ইসলামের কলেজ পড়ুয়া ছেলে বিজয়ের বসত বাড়ীতে। বগুড়ার শেরপুর উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পূর্বে মহিপুর কলোনী গ্রামের অবস্থান। ভোরের আলো ফুটতেই এ গ্রামে বিজয়ের বাড়িতে প্রতিদিন শত-শত পাখি অপেক্ষা করে কখন বিজয় খাবার নিয়ে আসবেন। এ গ্রামের বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া ছাত্র বিজয় প্রতিদিন ফযর নামাজ শেষ করে তার পালিত বিভিন্ন জাতের কবুতর সহ অন্য অন্য উড়ে আসা দেশী প্রজাতির পাখিদের পরম মমতায় খাবার খাওয়ান। ভালবাসার কমতি না থাকায় খুব অল্প সময়েই যেন পাখিদের খুুব ভালো বন্ধু হয়ে গেছেন তিনি। বিজয় ও তাদের খেতে দিতে না পারলে, থাকতে পারেন না এখন। তাই প্রতিদিন প্রস্তুতি রাখেন, পরের দিন পাখিদের কি খাওয়াবেন। বিজয়ের এ মহৎ কাজকে এখন উপভোগ করা শুরু করেছেন তারই এলাকার মানুষজন। একই গ্রামের বাসিন্দা শিহাব বলেন, আমি প্রতিদিন বিজয়ের বসত বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে সকালে হাটাহাটি করি । বিজয় প্রতিদিন পাখিদের খেতে দেয়, এটা দেখতে বেশ ভালো লাগে। অনেকে পাখিগুলোকে দেখতে দূর থেকেও আসেন। এমন এক ব্যক্তি শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি মাঝে মধ্যে সময় পেলে বিজয়ের বাড়িতে আসি পাখিগুলো দেখতে। পাখিদের প্রতিনিয়ত খাবার দেওয়ার ব্যাপারে মো. বিজয় বলেন, আমি ছোট বেলা থেকে পাখি দের খুব বেশি পছন্দ করি আর ভালোবাসি।কবুতর পালন করতে আমার খুব ভালো লাগে।আমি ২০২০ সালে মানবিক থেকে মাধ্যমিক পাশ করে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ছি। আমার পালিত পাখিদের সাথে খুনশুটি করতে আমার খুব ভালো লাগে।আবার পালিত কবুতর এর জন্য খাবার দিলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী পাখি উড়ে আসে আমার বাড়িতে। আমি ও বেশ আলন্দের সাথে তাদের কেও খাবার খাওয়ায়। পাখির সঙ্গে আমার অন্তরের একটা ভালোলাগা, ভালোবাসার জায়গা তৈরি হয়ে গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ ফিরোজুর রহমান মোবাইল: 01947314055
ই পেপার