মোঃ আবু সায়েম খান (স্টাফ রিপোর্টার) :
শেরপুর ভিসেল বাংলাদেশ লিমিটেড নামের এনজিওর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করার প্রতিবাদে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে রোজ সোমবার বিকাল ৪ ঘটিকায় অফিস কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন,ভিসেল বাংলাদেশ লিমিটেড সম্পূর্ণ ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত হয়, যার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার REG SUB 2024912128. RAJC 2266. TIN 777133245311. CODE 22660017 এটি একটি বিভিন্ন ধরনের পণ্য সামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের নির্ভরযোগ্য পার্টনারশীপ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালে ১ লা অক্টোবর থেকে ভিসেল বাংলাদেশ লিমিটেডের কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হয়। এ পর্যন্ত তিনটি থানা মিলে মোট ৭টি শাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, এই এনজিওর মোট বিনিয়োগ ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। ডিপোজিট ২ কোটি ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। গ্রাহকের ডিপোজিটের চেয়ে ১ কোটি ৬১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার বিনিয়োগ বেশি প্রদান করা আছে।
কিন্তু ভিসেল এর শুরুর দিকে থেকেই কিছু শত্রুপক্ষ ভিসেল নিয়ে ষড়যন্ত্র মূলক কাজ শরু করে। বিশেষ করে কিছু এনজিও সমিতির সুদ ব্যবসায়ী সহ কিছু মহল ভিসেল নিয়ে ষড়যন্ত্র মূলক কাজে লিপ্ত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ভিসেল থেকে ভিসেল বাংলাদেশ লিঃ এর জিএম মোঃ রুহুল আমিন (সুমন) নেত্রকোনা হঠাৎ করে গা ঢাকা দেয় এবং ভিসেল বাংলাদেশ লিঃ এর জিএম রুহুল আমিন সুমন বিভিন্ন ম্যানেজার ও কর্মী এবং কিছু গ্রাহককে ফোন দিয়ে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার শুরু করে। যার প্রেক্ষিতে শেরুয়া বটতলা শাখায় ফিল্ড মার্কেটিং অফিসার মোছাঃ শিমু খাতুন বিভিন্ন গ্রাহককে ফোন করে এবং তাদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যেতে বলে এবং প্রচার করে কোম্পানী চলে যাবে, যার রেকর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে চলে আসে। এই অপপ্রচারের জন্য কিছু গ্রাহক ২৯/০১/২০২৫ রোজ বুধবার ভিসেল লিঃ শেরুয়া শাখায় ভির করে টাকা তুলতে, পরে কোম্পানীর জেড এম ম্যাডাম মাহবুবা আকতার মিমি সেখানে গিয়ে গ্রাহককে আশ্বস্ত করেন। পরের দিন ৩০/০১/২০২৫ বৃহস্পতিবার কোম্পানির জিএম আবু হাসান শেরুয়া শাখায় উপস্থিত হয়, তখন কিছু অসাধু চক্র মদ্যপান করে, নেশা করে জিএম সহ কয়েকজন কর্মীকে আটকে রাখেন। সেখানে তাদের সাথে কথা বলার জন্য কোম্পানির হেড অব অডিট মোঃ মুশফিকুর রহমান ও জোনাল শাখার অডিট মোছাঃ রুবিনা আক্তার যায় তাদেরকে শেরুয়া বটতলার শাখার কিছু অসাধু লোক আটকে রাখেন। ভিসেল কর্তৃপক্ষ তখন শেরপুর থানায় যোগাযোগ করে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে। তারপর রবিবার ভিসেল এর সকল শাখায় গুজবের প্রভাব পড়ে এবং সকল গ্রাহক টাকা তুলতে আসে। ভিসেল তখন সবার টাকা একত্রে ফেরত দিতে না পারায় সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং কিছু ঋন নেওয়া গ্রাহক অফিসে এসে নানান ভয়ভীতি দেখায়।
ভিসেল বাংলাদেশ লিমিটেড এর কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সকল গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভিসেল বাংলাদেশ লিমিটেড এর যাত্রা কখনোই শেষ হবে না, প্রকৃত গ্রাহকদের অর্থ কখনোই নষ্ট হবে না, এটা আপনাদের আমানত তা কখনোই খেয়ানত হবে না।

