স্টাফ রিপোর্টার :
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের সেই আলোচিত আয়না ঘরের রুপকার কারাবন্দী নাজমুল হাসান আরাফাত এর ছোটভাই সংশ্লিষ্ট আয়না ঘর ও অপহরণ ঘটনায় অভিযুক্ত জাহিদুল হাসান নিয়ন মহামান্য হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে এসে একটি পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে মিথ্যা অভিযোগের স্বীকার দুই সহোদর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাহাত ও নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তারিন তদন্ত পুর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনসহ ন্যায় বিচার দাবি করেছেন। অপরদিকে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রায়গঞ্জ উপজেলার পশ্চিম লক্ষীকোলা গ্রামের মৃত রেজাউল করিম এর ছেলে ও আলোচিত আয়না ঘরের রুপকার নাজমুল হাসান আরাফাত এর ছোটভাই জাহিদুল হাসান নিয়ন তার নিজের মাথা কেটে হাসপাতালে ভর্তি পুর্বক এমসি নিয়ে সুকৌশলে তার খালা তাড়াশ উপজেলার ওয়াশিন গ্রামের মৃত সহকারী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা কিরনের স্ত্রী লাবনী খাতুনকে বাদী বানিয়ে এই দুই সহোদর সহ ৫জনকে আসামীকে করে সলঙ্গা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মুলতঃ শিল্পী খাতুন ও বৃদ্ধ আব্দুল জব্বারকে অপহরণের ঘটনায় দায়েরেরকৃত মামলার চলমান তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত ও আয়না ঘর সৃষ্টির ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আয়না ঘরের রুপকার কারাবন্দী বড়ভাই নাজমুল হাসান আরাফাত এর কুপরামর্শে জাহিদুল হাসান নিয়ন প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে তিনি তার নিজ থানার বাইরে একটি মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে ও নিজেকে ভিকটিম বানিয়ে তার আপন খালাকে দিয়ে সলঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানাযায়,রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষীকোলা গ্রামের মৃত রেজাউল করিম এর ছেলে জাহিদুল হাসান নিয়ন নিজ থানায় সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে পুর্ব পরিকল্পিতভাবে তার নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য পুর্ব শক্রতার জেরধরে তার আপন বড়ভাই আলোচিত আয়না ঘরের রুপকার কারাগারে বন্দী নাজমুল হাসান আরাফাত ও এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.নাঈম আহমেদ বাঁধন এর পরামর্শে গত ৮জুন সন্ধায় একটি মিথ্যা ও বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম রতিকে হেনস্তা করার জন্য রফিকুল ইসলাম রতিসহ তার আপনভাই ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে রাহাত ও বেসরকারি নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে তারিন ও আরেক পুত্র সাংবাদিক তানভীরের বিরুদ্ধে মারামারি ও মাথায় রক্তাক্ত জখমের মিথ্যা অভিযোগ এনে তার আপন খালা লাবনী খাতুনকে বাদী বানিয়ে সলঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ রয়েছে জাহিদুল হাসান নিয়ন এর বড়ভাই সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.নাঈম আহমেদ বাঁধন প্রতিপক্ষ রফিকুল ইসলাম রতির পরিবারকে ঘায়েল করতে সুপরিকল্পিতভাবে তার ছোটভাই জাহিদুল হাসান নিয়নের মাথা কেটে ৩২৬ ধারার এমসি নেওয়ার উদ্দেশ্যে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। কিন্তু বিধিবাম পরবর্তীতে তার সকল অপকর্ম ধরা পড়ে যায়। অপরদিকে দায়েরকৃত অভিযোগের সুত্রধরে সলঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এতে আনীত অভিযোগ অনুযায়ী ভুইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সে সময়ের উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে, রফিকুল ইসলাম রতির ছেলে সাংবাদিক তানভীর এর সাথে জাহিদুল হাসান নিয়নের তর্কবিতর্ক হয়। এতে উভয়ের তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে এবং তা আবার তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা নিষ্পত্তিও করে দিয়েছেন। তবে মাথায় রক্তাক্ত জখমের কোন ঘটনা ঘটেনি। এতে প্রতীয়মান হয় যে, জাহিদুল হাসান নিয়ন সুপরিকল্পিতভাবে তার আপন বড়ভাই সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.নাঈম আহমেদ বাঁধনের সরাসরি হস্তক্ষেপে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে নিজে ফায়দা লোটার চেষ্টা করেছে। ইতোপুর্বেও রফিকুল ইসলাম রতির পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে জাহিদুল হাসান নিয়ন তার বড়ভাই সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.নাঈম আহমেদ বাঁধন এর যোগসাজসে সাভার থানায়ও মামলা করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এতে ফলপ্রসূ হতে না পেরে পুনরায় এলাকায় একাধিক মামলা দিয়ে এই পরিবারটিকে হয়রানি করেছে। মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি ও অবৈধভাবে অর্থ আদায় করাই জাহিদুল হাসান নিয়ন ও তার বড়ভাই কারাগারে বন্দী নাজমুল হাসান আরাফাত এর নেশা-পেশায় পরিনত হয়েছে। সুতরাং শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষাসহ ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন পুর্বক মিথ্যা অভিযোগকারী জাহিদুল হাসান নিয়নসহ তার বিতর্কিত পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম রতির পরিবার।
এদিকে অভিযোগকারী লাবনী খাতুন জানান, ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

