বগুড়া জেলা রিপোর্টারঃ
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শেরপুর সরকারি কলেজে এখনো দিব্যি অনিয়ম চলছে। এইচএসসির প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা চলছে। খাতা ও ফরম বাবদ শিক্ষার্থী প্রতি ৩০০ টাকা নিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। কেন এই টাকা? কর্তৃপক্ষ একবার জানায় কোন টাকা তোলা হচ্ছে না আবার আরেকবার জানায় প্র্যাকটিক্যাল খাতা সম্পন্ন করে দেয়া বাবদ এই টাকা নেয়া হচ্ছে। কিন্তু এই খাতার কোনো অস্তিত্ব নেই। পরীক্ষার রুমে পরীক্ষার্থীরা একটা সাদা কাগজে পরীক্ষা দিচ্ছেন।
এখানকার বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা এসব মেনে নিচ্ছে। কারণ প্রতিবাদ করলে যদি মার্কস নিয়ে কোন সমস্যা হয়। কেউ কেউ বলছে প্রতিটি কাজে কর্তৃপক্ষ কে টাকা দিতে হয়। আইসিটি পরীক্ষা হচ্ছে কিন্তু এক শিক্ষার্থীর অভিযোগ একটা ক্লাস পর্যন্ত নেয়া হয়নি। ল্যাপটপ কম্পিউটার সহ তেমন কোনো সুবিধা নেই এই কলেজে জানালেন খোদ প্রিন্সিপাল। তার উপস্তিতিতেই শিক্ষার্থী প্রতি টাকা নেয়ার ঘটনা ঘটেছে শেরপুর কলেজে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্কুল-কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। শেরপুরেও বিভিন্ন স্কুল-কলেজে ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভ চলছে। প্রতিটি স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা শেরপুর অপরাধ নামার সাথে যোগাযোগ করেছে। প্রথমেই আমরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সবিনয়ে অনুরোধ জানিয়েছি শিক্ষকদের সাথে কোন প্রকার বেয়াদবি থেকে বিরত থাকতে। দাবিগুলো শান্তিপূর্ণ ভাবে উপস্থাপন করতে পরামর্শ দেয়া হয়।
৩১ আগস্ট শেরপুর সরকারি কলেজে টাকা তোলা কেন্দ্র করে উদ্ভট পরিস্থিতি তৈরি হতেও পারতো। কিন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোন মিছিল করেনি, কোন পদত্যাগ করাতে বাধ্য করেনি। তারা এসব অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ চাচ্ছেন।
শেরপুর অপরাধ নামার ভিডিওচিত্রে তুলে ধরার চেষ্টায়….

