সাদিকুল ইসলাম বগুড়ার বিশেষ প্রতিনিধি:
বগুড়া শেরপুর থানার ১নং কুসুম্বী ইউনিয়নের উচলবাড়িয়া গ্রামে গতরাতে আমি একটা গ্রাম্য শালিস এ যাই। সেখানে গ্রাম্য শালিসের বিচার প্রতি মহদোয়, বিচার প্রার্থদের উদেশ্য করে বলেন যে, আজকে কেউ আমরা কারো পক্ষে বিচার করবো না। আমরা সবাই নিরপক্ষ! কারো পক্ষ বাদী না! যে দোষ করেছে তার বিচার হবে ইনশাআল্লাহ ?বিচার শুরু করা হলো প্রথমেই বাদী যেসব সমস্যা তার বিষয়ে জেরা শুনা হলো। পরে আসামীর থেকে জেরা শুরু হলো এবং সর্ব শেষে কিছু সাক্ষীর মাধ্যর্মে বিচারের রায় চলে আসলো, বাদী আর সাক্ষীর বর্ণনায় যে সব দোষ আসামীর…। মূল কারণ টায় ছিলো যে, আসামী একজন নেশা গোরস্ত ছিল। হঠাৎ মাতাল অবস্থায় বাদীকে কারণ ছাড়ায় মার-ধোর করেন। আর আসামী নিজেও শিকার করেন যে, হ্যাঁ আমি কোন কারণ ছাড়ায় বাদী কে মার-ধোর করেছি। আমি ঐ অবস্থায় কি করেছি, না করেছি। নিজেও এত্ত কিছু জানি না। বিচার রায় পর্বে চলে গেলো।বিচার প্রতি রায় দেওয়া আগে, ভেবে চিন্তায় রায় দিলো। যে ভুল যখন সব আসামীর, তখন জনগনের ভিতরে তার ক্ষমা চাইতে হবে।রায়টায় ছিলো এটা এখন আসামী দাড়িয়ে বলে যে, সব ভুল আমার – তোরা সবাই ভালো থাকিস সাবধানে থাকিস?আসামী কথা ভাষা শুনে, জনগন বিচার শালিস থেকে উঠে আসতে লাগলো। প্রতিবাদ করার মত, এমন কেউ কে! দেখতে পাইলাম না।সব শেষে আমি নিজেই বিচার মণ্ডলীকে জিঙ্গাসা করলাম। এটা কেমন বিচার হলো?পক্ষ নাকি নিরপক্ষ! বিচার প্রতি সাহেব তখন জবাবের উত্তর আসলো যে, এখনে আসামীর দোষ। তার পরেও জনগনের ভিতরে এমন ভাষায় এমন কথা বলা টাও তার ঠিক হয় নাই। তার পরে মানে নেয় আমরা কি করবো, তা সারা বিচার প্রতি আরো বলে যে, বাদী গরিব মানুষ রায়ে সমস্যা নেই! আর আসামী বড় লোক নেশা করে বিচারেও নেশা করে আসছে কথা আর চোখ মুখ দেখা বোঝায় যাই তো। বেশি কিছু বলে পাগলামু করে বসবে।তা হলে ঘটনায় শেষ পর্যায় বিচার প্রতি কাছে কি শিক্ষা পাইলাম, যে ভালো লোকের বিচার নেই। আর নেশা খুর/ কিশোর গ্যাং দলের পক্ষে থাকতে হবে। আজকে আমরা কোন সমাজে বাস করি যে কিশোর গ্যাং / নেশা খুর দের হাতে আইনের বই তুলে দেওয়া। এমন বিচার প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

