মীর তানভীর ইসলাম স্টাফ রিপোর্টারঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে হাট-বাজারে ধান চালের দাম বেশি থাকায় সরকারি ভাবে ধান চাল সংগ্রহ করতে বিপাকে পড়েছে উপজেলার খাদ্য গুদাম।
খাদ্যগুদাম অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি ভাবে আমন ধান ক্রয় হবে ১৩ শ ৮১ মেট্রিক টন আর চাল ক্রয় হবে ৪ হাজার ৯শ ৩৯ মেট্রিক টন।
সরকারি ভাবে ধান ৩৩ টাকা কেজি দরে আর চাল ৪৭ টাকা কেজি দরে ক্রয়ের দাম নিধারন করা থাকলেও বর্তমানে হাট-বাজারে সরকারি মূল্যর চেয়ে বেশি মূল্য থাকায় ধান চাল খাদ্য গুদামে দিতে ইচ্ছুক না প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও চাতাল মিলাররা।
বর্তমান সবধরনের ধানের বাজার মূল্য সরকারি মূল্যও চেয়ে অনেক বেশি। তাই আমরা খাদ্যগুদামে ধান দিচ্ছি না। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিমন ধানের দাম বেড়েছে ৭০/৮০ টাকা। মোটা ধান ১৬ শ থেকে ১৬ শ ৫০ টাকা আর চিকন ধান ১৭ শ ৫০ থেকে ১৮ শ টাকা মন দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে চিকন চাল ৭০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।অপরদিকে কৃষকেরাও ধান দিচ্ছে না ধান আর মিলারা দিচ্ছেনা চাল যার ফলে ধান চাল ক্রয়ে বিপাকে পড়ছে খাদ্যগুদাম।
এ বিষয়ে উপজেলার চান্দাইকোনা খাদ্য গুদামের ভারপাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত মাত্র ১২শ টন চাল সংগ্রহ করা হলেও সংগ্রহ হয়নি ধান। তবে বাঁকী ধান চাল সংগ্রহের জন্য সরকারি বরাদ্দপাপ্ত মিলার ও কৃষকদের খাদ্য গুদামে ধান চাল দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে।
রায়গঞ্জ উপজেলা ধান-চাল ক্রয় কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় খাদ্যগুদামে ধান দিচ্ছেন না কৃষকরা। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা করা হয়েছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

