মো:নুরআলম, নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার শেরপুর জুয়ানপুরে ঢাকা-বগুড়ার মহাসড়কের পাশে অবস্থিত সরকারি দুগ্ধ ও গবাদি পশু উন্নয়ন খামারের একাংশে ৮ একর জমির উপরে নির্মিত হয় সরকারি ভেড়া উন্নয়ন খামার ২০০৭ সালের ১ লা আগস্ট ২০ ভেড়া ও ৬৫ টি ভেড়ী নিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে চালু হয় বাংলাদেশ সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি।সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য দেশের প্রাণী সম্পদবৃদ্ধি প্রান্তিক খামারীদের মাঝে সরকারী স্বল্প মূল্যে প্রজনন সক্ষম পাঠা ভেড়া বিতারণ ও আমিষ উৎপাদন।খামারটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে থেকে যৌথ ভাবে কর্মকতারা খামারটির দেখভাল করছিলেন। খামারটি পৃথক ভাবে পরিচালনার লক্ষে গত বছরের ৭ ই নভেম্বর খামারটি পৃথক করে বাংলাদেশ সরকারের প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সিনিয়র সহকারী পরিচালক নিযুক্ত করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কর্মকর্তা জনাব ডা:মো:শাহিনুর রহমান তার তথ্য মতে, খামারটি একক ভাবে পরিচালিতর তারিখ হতে এ বছরের ৯ এপ্রিল পযন্ত মোট ভেড়া ভেড়ী রয়েছে ২৮৪ টি উক্ত সময়ের মধ্যে নতুন ভেড়ার বাচ্চা জন্ম গ্রহণ করেছ ৩৭ টি মৃত্যু বরণ করছে ১০টি। মোট ভেড়ার বাস্থান শেড রয়েছে- ৭ টি ৬ টিতে ভেড়া থাকলেও ১ টি রয়েছে পরিত্যক্ত। খামারটিতে পশুখাদ্য বিধিমালা-২০১৩ মোতাবেক খাদ্যের মান সঠিক রেখে পশুদের খাদ্য সরবাহ করা হয়।সরকারের নির্ধারিত টেন্ডার মোতাবেক খামারটিতে পশু খাদ্য তালিকায় গমের ভূষি, সয়াবিন,খেসারীর ভূষি, এনজাইম, টক্সিন বাইন্ডার,ডিসিপি ও শুকানো খড় পশুদের নিয়মিত খাদ্য হিসাবে সরবরাহ করার কথা থাকলেও সরবাহ করা হয় না খড়। খামারটির খাদ্য গুডামে ছিলো না শুকানো খড়ের মজুদ। তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ মোতাবেক খামারটির কর্মকতার কাছে তথ্যের আবেদন করলে তিনি ১ কার্য দিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সমাচার কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন। প্রতিষ্ঠানটির কাছে থেকে তথ্য গ্রহণ কালে জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি লক্ষ্য করেন খামারটির পূর্বের জরাজীর্ণ অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হলেও খামারের পশু শেডের পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা।যার কারণে সৃষ্টি হতে পারে পশুর নানাবিধ রোগবালাই।রোগে আক্রন্ত হয়ে অকালে মৃত্যু বরণ করতে পারে খামারের পশু।

