ঢাকাTuesday , 26 March 2024
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি বার্তা
  7. খেলাধুলা
  8. খোলা কলাম
  9. গনমাধ্যাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দৈনন্দিন আইন
  14. ধর্ম
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সরকারি সেবা কেন্দ্রের ৭বছর পেরিয়ে গেলেও মিলছেনা কৃষক সেবা

Nadigram
March 26, 2024 6:58 pm
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়া জেলার বারটি উপজেলার মধ্যে কৃষি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৩নং ভাটরা ইউনিয়নের ভাটরা কমিউনিটি ক্লিনিকের পশ্চিম পাশে(পন্ডিতপুকুর রোড) ভাটরা গ্রামে উন্নত নির্মান সামগ্রী(কনক্রিট) ব্যবহার করে ২০১৭ সালে কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয়েছিল কৃষক সেবা কেন্দ্র।প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন হয়েছিল ১৮ই নভেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে উদ্বোধক ছিলেন (কাহালু-নন্দীগ্রাম-৩৯)বগুড়া-৪ আসনের তৎকালীন ও বর্তমান সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব এ.কে.এম রেজাউল করিম তানসেন এমপি।উদ্বোধনকালীন প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা”ভাটরা কৃষক সেবা কেন্দ্র”।উদ্বোধনের ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটিতে মিলছেনা সাধারণ কৃষকের কাঙ্খিত সেবা।অনুসন্ধানে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটিতে কৃষি মন্ত্রণালয় হতে সরবরাহকৃত আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির মজুদ রয়েছে।সেসব যন্ত্রপাতি মূলত সাধারণ কৃষকের মাঝে কৃষির আধুনিকীকরণের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি অফিস হতে সরবরাহ করা হয়েছিল।কৃষকের সেবা না মিললে ও প্রতিমাসে খোয়াতে হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল।দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় বেশিরভাগ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে।অব্যবস্থাপনায় নষ্টপ্রায় স্যানিটেশন ব্যবস্থা,পানির লাইন,টয়লেট।ভবনের দেয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল এবং অপরিচ্ছন্নতার কারনে ড্যাম্প।এতে সর্বসাকুল্যে নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং অর্থ।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব গাজিউল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,’এটি কোন অফিস নয়।এটি মুলত আমাদের এলাকাভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩জন উপ-সহকারী কৃষি অফিসারের আবাসিক বাসভবন।মন্ত্রণালয় হতে এই প্রতিষ্টান চালানোর জন্য আলাদা কোন জনবল নিয়োগ করা নেই।তবে জেলা কৃষি অফিস অথবা কৃষি মন্ত্রণালয় হতে কোন কৃষক সমাবেশ বা সেমিনারের আয়োজন করার নির্দেশ থাকলে তা এই প্রতিষ্ঠানের হলরুমে করা হবে।সর্বোপরি মেরুকরণ করে সকল ইউনিয়নের কৃষকের সেবা দেওয়া হবে।”তবে অনুসন্ধানে মেলে ভিন্ন তথ্য,তিনজন উপসহকারী কৃষি অফিসারের থাকার কথা থাকলে-ও ভবনটিতে অবস্থান করেন একজনমাত্র উপ সহকারী সুমাইয়া খাতুন।এই নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম হতাশা কাজ করছে।তাদের দাবি সরকারি সম্পদ ফেলে রেখে নষ্ট না করে সেবা দেওয়া উচিত।অচিরেই এই সেবা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে কৃষক প্রশিক্ষণ ও যথাযথ সেবা দেওয়া হবে এমনটাই প্রত্যশা সাধারণ কৃষকের।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।