মোঃ শাকিল আহমেদ (সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি):
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভাসমানের একযুগ। জমির অভাবে দীর্ঘ এক যুগও আলোর মুখ দেখছে না হাসপাতালটি। বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন ধারায় স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন যুগেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভাসমান।আর কত দিন ভাসমান অবস্থায় থাকলে উপজেলা (হাসপাতাল) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্য নির্মাণ হবে নিজস্ব জমির ওপরে।গত ২০১১-১২ অর্থ বছরে যমুনা নদীর কড়াল গ্রাসে বিলিন হয়ে যায় হাসপাতাল ও সকল স্থাপনা। তখনই উপজেলা প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপজেলার খাষকাউলিয়া সিদ্দিকী ফাজিল মাদ্রাসায় আশ্রয় নেয়। সেবাগুলো সচল রাখতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষে সর্তসাপেক্ষে জায়গা নিয়ে দের কোটি টাকা ব্যায়ে সেমিপাকা টিনসেট ঘর উত্তোলন করা হয়।সরকারের অর্থায়নে সেমিপাকা ঘরে চলছে স্বাস্থ্য সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।এতে প্রশাসন ডাক্তার নার্স ইনডোর আউটডোর হলরুম গোডাউন, কোয়ার্টার সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে চিকিৎসা জগতে।দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে গেছে আজও নিজস্ব জমির ব্যবস্থা হয়নি ভবন নির্মাণে। অর্থ বরাদ্দ চলা-চল হচ্ছে জমির কোন ব্যবস্থার লক্ষণ নজরে পড়ছে না। নিজস্ব জমি ও ভবন না থাকায় কষ্ট আকাশ পরিমান সমাধান নেই।উপজেলা পরিষদের জন্য কোদালিয়া গ্রামে ভূমি নির্বাচন, ভূমি অধিগ্রহণ ও মাটি ভরাট প্রায় শেষ, যেকোন সময়ে ভবনের জন্য টেণ্ডার আহবান করা হবে।
উপজেলা হাসপাতালের জমি কোদালিয়া মৌজায় জমি একাউর করে ভবন নির্মাণ, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও থানা কমপ্লেক্স স্থাপনে সিরাজগঞ্জ দক্ষিণ অঞ্চল আধুনিকতার ভাসবে।
কিন্তু হাসপাতাল ভাসমান বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে তবুও ভবন নির্মাণের কোন কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায়
ব্যহত হচ্ছে হাসপাতালের প্রশাসনিক সহ সকল কর্মকান্ড ও চৌহালীর উন্নয়ন।
হাসপাতালটি নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মান করা হলে সেবামূলক কার্যক্রম ও মানুষের সময় যেমন বাঁচবে তেমন কমবেও ভোগান্তিও। নিজস্ব জমির ওপর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন ও সেবামুলক কাজে আসা
গণমানুষের দাবি চৌহালী উপজেলা পরিষদ এর পাশেই হাসপাতাল নির্মাণ করা হলে উন্নয়নে চৌহালী আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকতা রাফসান রেজা বলেন, শুনেছি হাসপাতাল ভাসমানের একযুগ, হাসপাতালে চিকিৎসক সহ প্রায় দেড়শত স্টাফ রয়েছে, তাদের থাকার কোন সুযোগ নেই ফলে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। তিনি আরও বলেন শুনেছি নিজস্ব জমি ও ভবন এর জন্য বরাদ্দ এসে জমির না থাকায় টাকা ফেরত যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান জানান- প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। খুব শ্রীঘ্রই অগ্রগতি হবে।

