আল-আমিন হোসেন সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ জেলা এনায়েতপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামে ৯ বছরের হাফেজ পড়ুয়া শিশু বাচ্চাকে দর্শন করা হয়। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনায়েতপুর থানায় মামলা করেন ধর্ষিতা শিশুর পিতা মোঃ সাইদুল ইসলাম (৫০)। ধর্ষন মামলার আসামি একই গ্রামের বাসিন্দা হানজালা (৩০) কে শনিবার ২৭ জানুয়ারি রাতে ঢাকা যাওয়ার পথে গ্রেফতার করেছে এনায়েতপুর থানা পুলিশ।ধর্ষক হানজালা (৩০) এনায়েতপুর থানা গোপালপুর গ্রামের মোঃইব্রাহিম হোসেনের ছেলে তিনি পেশার মুহুরী।এনায়েতপুর থানার পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে (এস আই) সুজিৎ বলছেন শনিবার ২৭ জানুয়ারি দুপুর ১২ টার সময় ঐ শিশুকে মাদরাসা থেকে বাড়িতে ফেরার পথে বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষক হানজালা ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে যান। তখন বাড়িতে বিধবা রোজি খাতুন ছাড়া কেও না থাকায় ধর্ষিতা সুমাইয়াকে খাটের উপর শুয়াইয়া তার ইচ্ছের বিরোদ্ধে ধর্ষন করা হয়। ধর্ষণের ফলে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তারপর ভাড়া বাসার মহিলা মোছাঃরোজি খাতুন(৪৮)স্বামী মৃত আকতার হোসেন, চাচী খোদেজা খাতুন(৫৫)স্বামী মোঃশাহ আলম সুমাইয়াকে শুস্থ করার জন্য মাথায় পানি ঢালতে থাকে। অবস্থা অবনতি দেখে পল্লী চিকিৎসক মোছাঃশেফালী খাতুন(৬০)স্বামী মন্টু মিয়া, কে ডেকে আনা হয়।পল্লী চিকিৎসক শেফালী খাতুন অন্যায় ভাবে গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা করে।পরবর্তীতে অবস্থা অবনতি দেখলে ধর্ষক হানজালার চাচা মোঃ শাহ আলম মেয়ের বাবাকে খবর দেয়।মেয়ের বাবা খবর পেয়ে এসে দেখে রোজি খাতুন সুমাইয়ার মাথায় পানি ঢালছে। তারপর ঘটনাস্থল থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে খাজা ইউনুস আলি মেডিকেল হসপিটাল, পরে সিরাজগঞ্জ সদর হসপিটালে উন্নতচিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।ওইদিন শিশুটির মা-বাবা বাদী হয়ে এনায়েতপুর থানায় মোঃ হানজালা বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনা বেগতিক বুঝতে পেরে আসামি মোঃ হানজালা (৩০) পালিয়ে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকায় যাওয়া পথ থেকে তাহাকে গ্রেফতার করা হয়।এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী ধর্ষণকারী মোঃ হানজালা (৩০) সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে মানববন্ধন করেছেন।

