ঢাকাThursday , 15 February 2024
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি বার্তা
  7. খেলাধুলা
  8. খোলা কলাম
  9. গনমাধ্যাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দৈনন্দিন আইন
  14. ধর্ম
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সোনামুখী পাইলট কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলে আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত

Nadigram
February 15, 2024 11:47 am
Link Copied!

মাহমুদুল হাসান শুভ, কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সোনামুখী পাইলট কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুল আন্দয় ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৩, (ফেব্রুয়ারী) রোজ সোমবার রাত দশটা সময় চাঁদপুর জেলার মোহনপুর থানায় দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র, মিনি কক্সবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্য সোনামুখী বাজার থেকে বাস ছেড়ে দেওয়া হয়।সোনামুখী পাইলট কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুল থেকে শুধু মাএ. ৭ম,৮ম,৯ম,১০ম, শ্রেণীর সকল ছাত্রছাত্রীরা আনন্দ ভ্রমণে যাওয়া সুযোগ পাই। উক্ত স্কুল থেকে বাঁকী ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে যাওয়া হয় নাই।নিরাপত্তা কথা ভেবে প্রধান শিক্ষক শুধুমাএ অনুমতি দেই বড় ক্লাসের, ছাত্রছাত্রীদের ছোট ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে স্কুলে বড় ধরনের একটা পিকনিক করা হবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সিরাজগঞ্জ শহরে গিয়ে বাস একটু সম্যাসা হয় তারপরে বাস অতি তাড়াতাড়ি ঠিক করে আবার রওনা দেওয়া হয়। রাত ছিলো খুবই সুন্দর আবহাওয়া ছিলো খুবই ভালো না. ঠান্ডা না গরম বাসের মধ্যে সকল ছাত্রছাত্রীরা আনন্দময় পরিবেশে ছিলো তাদের চোখে মুখে ছিলো আনন্দের ছায়া। বাসের মধ্যে নাচ গান কবিতা রচনা কুইজ প্রতিযোগিতা মধ্যে দিয়ে কেঁটে গিয়েছে সারা রাত কাহারো চোখে ঘুম ছিলো না সেই রাতে।

কুমিল্লা পৌঁছানো পরে ফজর আযান দিলো নামাজ পড়ার জন্য বাস বিরতি দেওয়া হলো ১৫ মিনিট যারা নামাজ পড়বে তারা মসজিদে চলে গেলো যারা নামাজ পড়ে নাই তারা বাঁকী সময় প্রস্রাব পায়খানা কাজ ছেড়ে নিলো।

ঠিক ১৫ মিনিট পরে বাস কুমিল্লা থেকে আবার রইনা দেওয়া হলো চাঁদপুরে উদ্দেশ্য ঠিক ৯.টায় আমরা পৌঁছে গেলাম মোহনপুর মিনি কক্সবাজারে সবাই তো সে খুশি হয়ে গেলো কিন্তুু খুশি আর বেশি সময় থাকলো না। কেননা বাস ভুল করে অন্য জায়গায় চলে এসেছে এটা মোহনপুর না মদনপুর পরে সবাই সেই রাগ এখানে কেনো নিয়ে আসা হলো প্রধান শিক্ষক তখন সবাই কে শান্ত করে বললো সকালে নাস্তা করে আমরা আবার রইনা হবো।

তখন সকল ছাত্রছাত্রীরা শান্ত হয়ে গেলো সকালে নাস্তা বাজেট ছিলো ৫০ টাকা নাস্তা করে আবার রওনা দেওয়া হলো মোহনপুর।

৪০ কিলোমিটার বেশি চলে এসেছিলো গাড়ী ড্রাইবার আবার ৪০ কিলোমিটার যাওয়া হলো বেশি গাড়ী মধ্যে সকল ছাত্র ছাত্রী অবস্থা খারাপ এত সময় কী বসে থাকা যায় গাড়ী মধ্যে তারপরে সবাই কষ্ট করে বসে থাকলো কথায় আছে না কষ্ট পরে সুখ আছে ঠিক ১১.৩০ মিনিটে গাড়ী পৌঁছে গেলো মোহনপুর দর্শনীয় স্থান মিনি কক্সবাজারে। সবাই সেই লাফালাফি আন্দয় পরিবেশ শুরু হয়ে গিয়েছে বাসের মধ্যে নাচ গান, কিন্তুু কপাল খারাপ থাকলে যা হয় আর কী যাওয়া পরে বলা হয় মিনি কক্সবাজার আজকে বন্ধ।

শিক্ষকরা কী করবে শুনার সাথে সাথে তারা চুপ হয়ে গিয়েছে কথা কী আর বসে থাকে ইতি মধ্যে ছাত্রছাত্রী ও বুজতে পেরেছে বিষয়টা কী হয়েছে আমাদের বাস থেকে নামতে বলে না কেনো তখন খবর আসলো মিনি কক্সবাজার বন্ধ সকল ছাত্র ছাত্রী নিচুপ হয়ে গেলো তাদের চোখে পানি চলে আসলো আবার কেউ, কেউ কাঁদতে শুরু করে দেই । এত কষ্ট করে আসলাম এক টানা ১২ ঘন্টা বাসের মধ্যে ছিলাম এটা কী মানা যায় শিক্ষকরা কী করবে তারাও অসহায় ছাত্র ছাত্রী দুঃখ কষ্ট দেখে তাদের ও কিছুই করা ছিলো না।

এখন থেকে বাড়ী উদ্দেশ্য আবার রইনা দেওয়া হলো সকল ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক অভিভাবকগণ সবাই নিরব বাসের মধ্যে মনে হলো লোক নাই। দুপুরে খাওয়া সময় শেষ হয়তেছে তারপরে কাহারো খাওয়া ইচ্ছা নাই শুধু সবার চোখে মুখে কী হলো এটা। তারপরে শিক্ষক সব বুজে এদের মনে হয় খুদা লাগছে তখন বাস থামানো হলে কুমিল্লা একটা এতিমখানায় মাদরাসায় এদের থেকে অনুমতি নিয়ে এখানে রান্না কাজ শুরু করে দেওয়া হলো.।

বাস থেকে কেউ নামতে চাই না সবাই অসহায় কী হলো এটা পরে আর কী করবে নামতে তো হবে তখন মনের কষ্ট দূর সবাই গোসল করা শুরু করে দিলো গোসল করে কী কষ্ট দূর হয় তারপরে সবার মোন টা একটু হলেও ফ্রেশ হয়ে গেলো। যহর নামাজ শেষ করে খাওয়া দাওয়া করা হলো খাওয়া শেষ করে এখানে ফটো শোট করা হলো মনে কষ্টে।

তারপরে সবাই কে বলা হলো নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও নিয়ে যাওয়া হবে সবাই একটু হলেও খুশি হয়ে বাসে উঠলো। কিন্তুু শেষ মেশ ঔ জায়গায় যাওয়া হলো না কপালে দুঃখ কষ্ট থাকলে যা হয় আর কী পরে আবার বলো হলো ফাস্টাশি কিনদম নিয়ে যাওয়া হবে এটা যাওয়া হলো না পরে আবার বলেছে ৩.৬০ ডিগ্রি ফ্রাইওভারে নিয়ে যাওয়া হবে এটা নিয়ে যাওয়া হলো।

তখন ছাত্র ছাত্রী কী আর করবে দুঃখ কষ্ট নিয়ে ঢাকা ছেড়ে চলে আসলো তখন সবাই ভাবলো মোন খারাপ করে থেকে আর কী লাভ যা কপালে ছিলো এটা হয়েছে বাসের মধ্যে একটু বিনোদন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করি নাচ গান ডান্স শুরু করে দিলো কিন্তুু সবার মোন জয় করে নিলো সহকারী শিক্ষক মানিক তার ডান্স দেখে সবার মনে যে দুঃখ কষ্ট ছিলো সব দূর হয়ে গেলো।

এক কথায় অসাধারণ তারপরে সহকারী শিক্ষক বিদ্যুৎ সেই ও ডান্স করেছে সহকারী শিক্ষক তোহা সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক রণু ও ডান্স করেছে সাংবাদিক সহকারী শিক্ষক শুভ সরকার অবস্থিত ছিলো তাদের ডান্সের মাঝে।

সকল মেডামরা ও ডান্স করেছে ও অভিভাবকগণ ও অংশ গ্রহণ করেন তাদের মাঝে। এক কথায় বলা যায় দিন টা ছিলো দুঃখ কষ্ট এক অধ্যায় এটা সবার মনে থাকবে মৃত্যু আগ পযন্ত এই দিন গুলো কথা।

পরি শেষে এক কথায় বলতে চাই মহান আল্লাহ তায়ালা যা করে সব সময় ভালো জন্য করে যা হয়েছে আমাদের সবার সাথে আলহামদুলিল্লাহ এর মধ্যে অবশ্যই ভালো আছে তার জন্য আমাদের সাথে এইরকম হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।