শাহজাহান আলী স্টাফ রিপোর্টার:
বগুড়ার গাবতলীতে সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় আলমগীর হোসেন(৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার(৭ ফেব্রুয়ারি) র্যাবের যৌথ অভিযানে মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর ফোর্ডনগর এলাকা থেকে আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আলমগীর হোসেন বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার তরফসরতাজ মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত-আব্দুস সাত্তারের ছেলে।৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার র্যাবের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসামি আলমগীর হোসেন ভিকটিমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার একপর্যায়ে তাকে ৪ শতক জমি লিখে দিয়ে বিয়ে করার আশ্বাস দেন। এরপর কৌশলে গত ১৩ সেপ্টেম্বর গাবতলী পৌরসভার তরফসতরাজ মধ্যপাড়ার একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এর পর ৭ অক্টোবর আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ভিকটিম গাবতলী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই আলমগীর পালাতক ছিলেন।
এই ঘটনার পর আসামিকে ধরতে র্যাবের একটি চৌকস টিম অভিযানে নামে।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ বগুড়া,জানতে পারে আসামি আলমগীর মানিকগঞ্জ জেলায় আত্মগোপনে রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ বগুড়া ও র্যাব-৪ মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে ৭ ফেব্রুয়ারি(বুধবার) মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইল থানাধীন ফোর্ডনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার মীর মনির হোসেন বলেন, আসামি আলমগীর বিবাহিত ছিলেন। তিনি বিয়ের প্রলোভন ও সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে ভিকটিমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে গাবতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।যার নং-০৬/২৯০,তারিখ ০৭/১০/২৩,ধার-২০০০সালের আইনের৯(১)। পরে র্যাব-১২ বগুড়া ও র্যাব-৪ মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার মীর মনির হোসেন বলেন,গ্রেফতারকৃত আসামি আলমগীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে গাবতলী মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, আসামিকে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে।

