ঢাকাFriday , 26 January 2024
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি বার্তা
  7. খেলাধুলা
  8. খোলা কলাম
  9. গনমাধ্যাম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দৈনন্দিন আইন
  14. ধর্ম
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সোনা-মসজিদ দিয়ে ঘুরে এলো রায়গঞ্জ উপজেলা ক্লাবের সাংবাদিকরা

Nadigram
January 26, 2024 8:59 am
Link Copied!

সোহেল রানা নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রচন্ড-কনকনে শীতে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকরা ঘুরে এলো দেশের দ্বিতীয় স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ । গত বুধবার (২৪ জানুয়ারী) উপজেলার ভুঁইয়া গাতী থেকে রওয়ানা দিয়ে সোনা মসজিদে দুপুর একটা ১০ মিনিটে পৌঁছলাম। তখন সোনা মসজিদের মাইকে আজান হচ্ছে যোহরের নামাজের । ওজু বানিয়ে সুলতানি আমলে স্থাপত্য এই ছোট সোনা-মসজিদটিতে আদায় করলাম যোহরের নামাজ। তার পর কথা হলো সোনা- মসজিদের ঈমাম মাওলানা হিজবুল্লার সাথে। তিনি জানালেন,সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ’র শাসনামলে ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সালে দীর্ঘ ২৬ বছর সময় লেগে ছিলো এই মসজিটি নির্মাণ করতে। তার স্ত্রীর নাম ছিলো সোনা বিবি, সোনাকে মিশে আটার মতো করে গম্বুজগুলো উপরে গ্লেজ লাগানো হয়ে ছিল। সূর্যের আলো পড়লে তা সোনার মতো ঝলমল করত। বিভিন্ন ধরনের কারুকাজে তৈরি এই মসজিদ। সোনা আর মুক্তা দিয়ে মিডিয়াম জাতীয় সোলার বানিয়ে ছিলো ভীতরে একটা বাহিরে একটা। দিনের বেলা সুর্য আলো দিত আর রাতের বেলায় অটো আলো দিত। এই দামি জিনিস গুলো ইংরেজরা তাদের শাসন আমলে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। মসজিদে মধ্যে খানে ইটের ওয়াল আছে। দুই দিকে পাথরের বোল্ডার দিয়ে রড সিমেন্ট ছাড়া পাথর আর পাথরের চুন শুটকি দিয়ে আচ্ছাদিত। মসজিদের ভীতরে আছে একটি উঁচু জায়গা,ওই আমলে বিচার ব্যবস্থা ছিলো মসজিদ কেন্দ্রীক। তিনি ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিচারের রায় দিতেন। ১৭ সাল থেকে সাড়ে সতেরশো সালে এক ভয়াবহ ভুমিকম্প হয়ে বাড়ী-ঘর মানুষজন সব ধ্বংস হয়ে যায় । ওই এলাকায় দুই থেকে তিন শত বছর কোনো চাষআবাদ হত না । এই লাকায় ছিলো জঙ্গল আর জঙ্গলে ভরা। এই মসজিদ তৈরি নিয়ে একটা গুজব আছে জ্বীনেরা অথবা একরাতে বা গায়েবি মসজিদ হয়েছে, এগুলো সব ভুয়া কথা। সুলতানি আমলে স্থাপত্য এই মসজিদ দেখতে প্রতিদিন দেশ বিদেশ থেকে দর্শনার্থীরা ভীড় জমায়। এই মসজিদে ভীতরে ছয় শতজন একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে। সোনা মসজিটি ঐতিহাসিক স্থলবন্দরে কাছে হওয়ায় রাস্তা দিয়ে পাথর বোঝাই ভারী যান চলাচল করার কারনে ফাটল ধরেছে মসজিদের ওয়ালে। মসজিদটি সুরক্ষার না করলে বাংলাদেশের প্রততত্ন ধ্বংস হয়ে যাবে। মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামে সোনা মসজিদটি অবস্থিত।
মসজিদ থেকে দের কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর সোনামসজিদ স্থলবন্দর। এখানে প্রতি নিয়ত ভারত থেকে ট্রাকে করে আসছে কালো পাথর।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, মসজিদ প্রাঙ্গণের চতুর্দিকে গোড়াতে একটি বহির্দেয়াল ছিল। যা এখন নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ৮২ ফুট লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে ৫২.৫ ফুট প্রসস্থ। উচ্চতা ২০ ফুট। এর দেয়ালগুলো প্রায় ৬ ফুট পুরো। চারটি দেয়ালই বাইরের দিকে এবং কিছুটা অভ্যন্তর ভাগে গ্রানাইট পাথরে শোভিত। ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ব্রিটিশ সরকার গম্বুজ ও দেয়ালটি সংস্কার করে। মোট ১৫টি বুরুজের মধ্যে চার কোণে চারটি বুরুজ রয়েছে। ৯টি বুরুজ বাইরে থেকে দৃশ্যমান হয়। এর গঠনগত অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গম্বুজগুলোর মধ্যস্থলে কেন্দ্রীয় গম্বুজ হিসেবে বাংলাদেশে প্রচলিত চৌচালা গৃহের মতো পরস্পর তিনটি গম্বুজ সংযোজিত হয়েছে এবং দুই সারিতে তিনটি করে উভয় পাশে আরো ১২টি গোলাকৃতি গম্বুজ অপরূপ শোভা ধারণ করছে। গম্বুজগুলোর তলদেশে বিচিত্র সব নকশা দিয়ে অলঙ্কৃত হয়েছে। বহু কারুকার্য খচিত সোনালী রঙের১৫টি গম্বুজ রয়েছে ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।